Header Ads

মহালয়া মানেই বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী। জানুন এই অবিস্মরণীয় সৃষ্টির অজানা আরও অনেক কথা...


শ্রাবস্তী মান্না, কলকাতাঃ এসে গেল  মহালয়া, পিতৃপক্ষের শেষ দেবীপক্ষের শুরু। গঙ্গার ঘাটে তর্পণ ছাড়াও যে অনুষ্ঠান ছাড়া মহালয়া অসম্পূর্ণ- বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী।


মহিষাসুরমর্দিনী। রচনা ও প্রবর্তনা– বাণীকুমার। সঙ্গীত পরিচালনায়– পঙ্কজকুমার মল্লিক। গ্রন্থনা ও স্তোত্রপাঠ– বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র।

“আজ দেবীপক্ষের প্রাক-প্রত্যুষে জ্যোতির্ম্ময়ী জগন্মাতা মহাশক্তির শুভ আগমন-বার্তা  আকাশ-বাতাসে বিঘোষিত। মহাদেবীর পুণ্য স্তবনমন্ত্রে মানবলোকে জাগরিত হোক ভূমানন্দের অপূর্ব্ব প্রেরণা। আজ শারদ গগনে-গগনে দেবী ঊষা ঘোষণা করছেন মহাশক্তির শুভ আবির্ভাব-ক্ষণ।”

এরপর তিনবার শঙ্খধ্বনির পর শুরু হয় অনুষ্ঠান। প্রথমেই সুপ্রীতি ঘোষের পরিশীলিত কন্ঠে গাওয়া সেই গান– “বাজল তোমার আলোর বেণু”।এছাড়াও দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়, আরতি মুখোপাধ্যায়, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, শিপ্রা বসু, সুমিত্রা সেন, উৎপলা সেন, শ্যামল মিত্র প্রমুখ শিল্পীদের কন্ঠে আগমনী গান।

 ১৯৭৬-এর ২৩ সেপ্টেম্বর মহালয়ার ভোরে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’কে সরিয়ে ‘দেবী দুর্গতিহারিণীম’ নাম দিয়ে এক বিকল্প অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। রূপদান করেছিলেন অভিনেতা উত্তমকুমার, তবে মানুষ তা গ্রহণ করতে পারেন নি। পত্র-পত্রিকায় বিতর্কের ঝড় উঠেছিল। তাই পরের বছর থেকে আবার সেই পুরনো মহিষাসুরমর্দিনী ফিরে আসে স্বমহিমায়।

No comments

Powered by Blogger.