Header Ads

অনবদ্য মোহনবাগান। দুরন্ত ডিকার জোড়া গোল। হতে পারত পাঁচ গোল



ইনসাইড নিউজ ডেস্ক: ডিফেন্স, মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ- গোটা ম্যাচে সবুজ-মেরুনের দাপট। ডিকার দুরন্ত দুটো গোল। আক্রম, ওয়াটসন, নিখিল কদমদের দাপট। ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা। উপভোগ্য একটা ম্যাচ। ফিরতি ডার্বিতেও মোহনবাগানের জয়। এই হল রবিবাসরীয় ডার্বির নির্জাস।

ম্যাচের ১ মিনিটেই গোল পেয়ে যায় বাগান। লিখিল কদমের লম্বা থ্রু আক্রম হেডে সাজিয়ে দেন ডিকার পায়ে। দুরন্ত শটে বল জালে জড়ান ডিকা। ৩৫ মিনিটে রেনিয়ারের কর্নার অনবদ্য সাইডভলিতে জালে রাখেন সেই ডিকা। মনে হল যেন ডার্বির জন্যই গোল তুলে রেখেছিলেন এই স্ট্রাইকার।

প্রথম গোল খাওয়ার পর ম্যাচে ফেরার যে চেষ্টা ছিল লাল-হলুদের, দ্বিতীয় গোলের পর সেই চেষ্টাতে অনেকটাই ভাটা পড়ে। ম্যাচে ফেরা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় ইস্টবেঙ্গলের।

এদিন সনির খামতি পূরণ করে দিলেন ওয়াটসন, আক্রম, নিখিল কদমরা। প্রথম ম্যাচেই আক্রম বুঝিয়ে দিলেন, তিনি লম্বা রেসের ঘোড়া। আর নিখিল কদম গোল গুলো পেয়ে গেলে তো গোলের হ্যাটট্রিক হয়ে যেতে পারত। একবার অনবদ্য বাঁচালেন লুই ব্যারেটো, অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট কয়েকবার। একবার তো আবার বারে লেগে ফিরল।

ম্যাচ জুড়েই একের পর এক গোলের সুযোগ তৈরি করে গেছেন বাগানিরা। অন্যদিকে আক্রমণে উঠলেও ডি বক্সের মাথায় খেই হারিয়েছে ইস্টবেঙ্গল, বারবার। দূরপাল্লার শটে গোল করার প্রবণতা ভুগিয়েছে।

তবে শুরুতেই ইস্টবেঙ্গলকে ভুগিয়েছে চোট পেয়ে আল আমনার মাঠ ছাড়া। গোলের চেয়েও এই ধাক্কা ছিল আরও অনেক বেশি। মাঝমাঠের ভিতটা টলে গিয়েছিল তখনই। ডুডু, প্লাজারা দাগ কাটতে ব্যর্থ। খেই হারিয়ে ফেললেন কাটসুমি। তবে এদিন মোহনবাগানের ডিফেন্সকে আলাদা করে প্রশংসা করতেই হবে। লাল-হলুদের আক্রমণ বারবার ভোঁতা করে দিয়েছেন বাগান ডিফেন্ডাররা। 

No comments

Powered by Blogger.