Header Ads

পরের বছরও বইমেলা সল্টলেকে!


পরের বছরও কলকাতা বইমেলা সল্টলেকে। এখনও পর্যন্ত এই সম্ভবনাই প্রবল। মিলনমেলা নতুন করে তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। তবে কাজ বিপুল। এক বছরের মধ্যে সেই কাজ শেষ হওয়া কঠিন। এমনকী আরও সময় লেগে যেতে পারে।
এদিকে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে ‘‌বইমেলা মাঠ’‌ তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। কাজের‌ অগ্রগতি এবং গুণমানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই সন্তুষ্ট। এই মুহূর্তে পরিকাঠামোগত ভাবে এবং সৌন্দর্যায়নে এই মাঠ মিলনমেলাকেও ছাড়িয়ে যেতে চলেছে। তাই মিলনমেলা যতক্ষণ না পর্যন্ত পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায়, ততক্ষণ আর এই মেলাকে সরাতে চাইছেন না কেউ। মেলায় বইয়ের ব্যবসা এবং যাতায়াতের আয়োজন যদি সন্তোষজনক হয়, তা হলে প্রকাশকরাও এই মাঠ ছাড়তে চাইবেন না বলে প্রশাসনের বিশ্বাস। ইতিমধ্যেই যাতায়াতের ব্যবস্থা নিখুঁত করবার জন্য প্রশাসন ব্লু প্রিন্ট তৈরি করে ফেলেছে। দু–‌একদিনের মধ্যে ‘‌ট্রায়াল’‌ দেওয়ার কাজ শুরু হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে পুর ও নগরোন্নোয়ন দপ্তর এবং বিধাননগর পুরনিগম যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি নিয়ে ঝঁাপিয়ে পড়েছে। এই যু্দ্ধে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং মেয়র সব্যসাচী দত্ত নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সঙ্গে আছে বিধাননগর পুলিস কমিশনারেট। তাঁরা দেখিয়ে দিতে চাইছেন, কলকাতা বইমেলা করবার জন্য সল্টলেক কোনও অংশে পিছিয়ে নেই। পরিকাঠামো এবং সৌন্দর্যয়ানের অগ্রগতিতে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড এখনও পর্যন্ত সন্তুষ্ট।
মেলা শুরুর হাতে গোনা মাত্র আর কটাদিন। ৩১ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। মেলা পুরোদমে শুরু ১ ফেব্রুয়ারি থেকে। মঙ্গলবার সেন্ট্রাল পার্কে গিয়ে দেখা হল, এক হাজারের বেশি কর্মী কাজে নেমে পড়েছেন। আজ আরও পঁাচশো কর্মী যোগ দেবেন। বিপুল কর্মযজ্ঞ চলছে। পুরো মেলা ঘিরে তৈরি হচ্ছে পিচের রাস্তা। পিছনের জলাশয়ের পুরনো দেয়াল ভেঙে বসানো হয়ে গেছে লোহার রেলিং। গাছের তলায় তৈরি হয়েছে অসংখ্য বঁাধানো বসার জায়গা। মাঠের এক অংশের মেঝেতে হচ্ছে সাদা রং। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বড় প্যাভিলিয়ন এবং ছোট স্টলের কাঠামো তৈরি হয়ে গেছে। বড় এবং মাঝারি স্টলের প্রকাশকরা স্টল তৈরির জন্য ঢুকবেন আজ থেকে। বইমেলার মাঠের তদারকির দায়িত্বে থাকেন গিল্ডের সভাপতি সুধাংশুশেখর দে। এদিন তাঁকে দেখা গেল মাঠে। হাতে নতুন ম্যাপ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে কাজের তদারকি করছেন এবং মাঝেমাঝেই গিল্ডের সচিব ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে জরুরি আলোচনা করে নিচ্ছেন। প্রতিটি খুঁটিনাটিতে নজর দিচ্ছেন। মেলা মাঠের বাইরেও চলেছে কাজের ধুন্ধুমার। নতুন রাস্তা তৈরি হচ্ছে। পুরনো রাস্তা চওড়া হচ্ছে।  ‌

No comments

Powered by Blogger.