Header Ads

একগুঁয়ে খালিদ হঠাৎ কেন মাটির মানুষ হওয়ার চেষ্টায়?



বিশেষ ইনসাইড প্রতিবেদনঃ ইস্টবেঙ্গলে সেই প্রথম দিন থেকেই খালিদ জামিল খুব একরোখা আর একগুঁয়ে প্রকৃতিরর লোক। যাই ঘটে যাক নিজের জায়গা থেকে সরার পাত্র তিনি নন।

সময় যত গড়িয়েছে পরিস্থিতি ততই পাল্টেছে। জড়িয়েছেন একের পর এক বিতর্কে। কখনও প্লাজাকে জোর করে খেলিয়ে যাওয়া তো কখনও আবার অর্ণবকে দিনের পর দিন বসিয়ে রাখা। অভিযোগ উঠেছে দলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা প্রাক্তনদের অপমান করার।

কর্তারা এতদিন কিছুই বলেননি দলের কথা ভেবে। কিন্তু আই লিগে ইস্টবেঙ্গলের খারাপ পারফরমেন্স পরিস্থিতি বদলে দেয়। তার ওপর দু'দুটো মর্যাদার ডার্বি হার। কর্তাদের আস্থা হারান খালিদ। সমর্থকরাও গোব্যাক আওয়াজ তোলেন।

বাধ্য হয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন কর্তারা। কলকাতা ফুটবলের চাপটা হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছেন নিজের জায়গা থেকে একবিন্দু সরে আসতে না চাওয়া আই লিগ জয়ী কোচ। কর্তাদের সব হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া খালিদ নিজেই যেন এখন এক বাধ্য ছাত্র।

মনোরঞ্জন কিংবা কর্তাদের সামনে কেঁদে ফেলা এই খালিদকে কজন চিনত। আর কান্নার কারণ জানাতে গিয়ে বলেন, 'আমি খুব আবেগপ্রবণ তাই কেঁদে ফেলেছি!' ভাবা যায়! এই খালিদই জেদের শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছিলেন একসময়। আর এখন- 'চাপের নাম বাপ'। যে মনাকে অপমান করেছিলেন সেই মনা সম্পর্কে এখন বলতে হচ্ছে, মনাদা নাকি বড় দাদার মতো। উনি দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় টিমের ভাল হয়েছে। আর ভাস্কর গাঙ্গুলি থেকে অন্য যে কোনও ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন করতে খালি আওড়ে যান, 'আমার দোষ ছিল।'

সত্যি খালিদও পাল্টান। আসলে পাল্টাতে হয়। এটা কলকাতা। ময়দানী ফুটবলে মাঠের বাইরেও অনেক খেলা অপেক্ষা করে থাকে। সেটা নিশ্চই হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছেন প্রাক্তন আইজল কোচ?


No comments

Powered by Blogger.