Header Ads

মোহনবাগান হোক বা ইস্টবেঙ্গল, প্রকৃত টিমম্যান কাটসুমি


একলব্য: কাটসুমি। এক নীরব যোদ্ধার নাম। যিনি সব আলোর আড়ালে থাকেন, অথচ নীরবে আলো দিয়ে চলেন। নিজের কাজ সারা হয়ে গেলে প্রচারের আলো থেকে অনেক দূরে একা হয়ে হয়ে যান। নীরবে প্রস্তুতি নেন পরবর্তী যুদ্ধের।

না কারুর বিরুদ্ধে তাঁর কোনও অভিযোগ নেই। কাটসুমির বিরুদ্ধেও কারুর কোনও অভিযোগ নেই। থাকার কথাও নয়। আসলে কাটসুমি যে একজন প্রকৃত টিমম্যান সহযোদ্ধাদের সঙ্গে মিশে যেতে পারেন। তাদের ব্যর্থতা ঢাকতে পারেন নিজেকে নিংড়ে দিয়ে। তাই তো সবার নয়ণের মণি। সে তিনি মোহনবাগানেই থাকুন বা ইস্টবেঙ্গলে।

যতদিন মোহনবাগানে ছিলেন নীরবে একমনে সেবা করে গেছেন। টানা তিন মরশুম ক্লাবকে কত কত সম্মান এনে দিচ্ছেন। অথচ যাবতীয় আলো গিয়ে পড়েছে সনির ওপর। তবুও কখনও কাটসুমির কোনও অনুযোগ ছিল না। শুধু নিজের কাজ করে গেছেন মন দিয়ে। ভেবে গেছেন ক্লাবের সাফল্যের ওপর।

আজ তিনি চিরশত্রু ক্লাবের জার্সি গায়ে। কিন্তু নিজের কাজ করেছেন একইভাবে। ইস্টবেঙ্গল খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু গোটা ম্যাচ সতীর্থদের তাতিয়ে চলেছেন। দর্শকদের তাতিয়ে চলেছেন। নইলে কি আর বলতে পারেন, 'আমাদের সমালোচনা করো, খারাপ কথা বলো, কিন্তু প্লিজ মাঠে এসো।'

প্রফেশনালিজমের যুগে এই আকুতি আর কজন করতে পারেন! তিনি পারেন। কারণ তিনি তো কাটসুমি। দলের সঙ্গে এভাবেই একাত্ম হয়ে যেতে পারেন। তাই তো দল ব্যর্থ হলে কাটসুমির দিকে আঙুল ওঠে না। এত কম সময়ে সমর্থকদের এত ভালবাসার পাত্র কজন হতে পেরেছে। এ ছবি তো মোহনবাগানেও দেখা গেছে বছরের পর বছর। সেই একইরকম ভালবাসা। তিনি কাটসুমি বলেই তো শত্রু ক্লাবেও এলেও তিনি শত্রু বনে যান না। থেকে যান সবার মিত্র হয়েই।

No comments

Powered by Blogger.