Header Ads

এক্সক্লুসিভ: 'অনেক হয়েছে আর নয়', অবশেষে মুখ খুললেন বিস্ফোরক খালিদ


কলকাতাঃ শেষ দু'দিন ধরে খালিদকে নিয়ে অনেক তরজা চলছে লাল-হলুদে। তাঁকে রাখা হবে কিনা, এ নিয়ে ক্লাবের কেউই মুখ খুলছেন না। এমনকী ইস্টবেঙ্গলেরর সঙ্গে জড়িত কয়েকজন খালিদের বিরুদ্ধে মুখও খুলেছেন। সোমবার কার্যকরী কমিটির সভায় খালিদকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ক্লাব। সবকিছু দেখছেন, শুনছেন, বুঝছেন খালিদও। অবশেষে আর নিজেকে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল। ইনসাইড নিউজ বাংলার সামনে মুখ খুললেন খাতায় কলমে এখনও লাল-হলুদ কোচ।'

ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে যাবেন কিনা সেই প্রশ্নে খালিদ বলেন, 'আমি ইস্টবেঙ্গলকে মাঝপথে ফেলে যাব না। আমি এই ক্লাবে কোচিং করানোর জন্য গর্ববোধ করি। নিতুদা আমাকে মুম্বইতে গিয়ে এই সুযোগ দিয়েছেন। আমি তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি কখনও প্লেয়ার হিসাবে বা কোচ হিসাবে পালিয়ে যাইনি, যাবও না। যদিও আমার চুক্তি দু'বছরের। তবুও আমি সুপার কাপের পর এসব নিয়ে নতুন করে ভাবব। এখন আমার মাথায় শুধুই সুপার কাপ। ভাল ফল করতে চাই সমর্থকদের জন্য। যদি আই লিগ হারের জ্বালা কিছুটা জুড়োতে পারি।'

তাঁর বিরুদ্ধে মনা, ভাস্করদের অভিযোগ নিয়ে খালিদ জানিয়েছেন, 'আমি মনাদা, ভাস্করদাকে ফাদার ফিগার হিসাবে সম্মান দিয়েছি। তবুও ওনারা মিডিয়াকে যেটা বলেছেন, সেটা খুব দু:খজনক। আমাকে যেদিন কোচ করা হল একবারের জন্যও বলা হয়নি যে আমার মাথার ওপর অ্যাডভাইজরি কমিটি থাকবে। তাও মনাদার কথা শুনেছি। অন্য কেউ হলে তখনই ছেড়ে চলে যেত। আমাকে যে টিম দেওয়া হয়েছে আমি সেই টিম নিয়েই খেলেছি। দ্বিতীয় ডার্বি থেকে আমাকে যেমন টিম নামাতে জোর করা হয়েছিল, আমি তাই-ই নামিয়েছি। আমার পছন্দের টিম নামালে হয়ত এই দিন দেখতে হত না।'

এরপর আরও বিস্ফোরক খালিদ, 'আমাকে শেষ দু'দিন ধরে খুব মেন্টাল প্রেসার দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমি পালিয়ে যাব না। সমর্থকরা আমাকে ম্যাসেজ করছে যেন আমি ক্লাব ছেড়ে না চলে যাই। সুপার কাপের পর আমি কর্তাদের সঙ্গে বসব। ডার্বির পর থেকে আমি একটা টাকাও নিইনি। কথা দিয়েছিলাম আই লিগ চ্যাম্পিয়ন করালে নেব। সেটাতে আমি ব্যর্থ। আমি টাকার জন্য ক্লাব আঁকড়ে নেই। শুরু থেকেই আমি বলেছিলাম কিছু সিনিয়র ফুটবলারের পারফরমেন্সে আমি খুশি নই। সেটা ক্লাবকে বলেওছিলাম। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে ওদের বয়ে বেড়ানো হয়েছে। প্লাজাকে নিয়ে এত কথা হল। আমি নাকি প্লাজাকে চেয়েছি। আমাকে যখন যাকে দেওয়া হয়েছে তাকে নিয়েই খেলেছি। অন্য কোচের সঙ্গে এমন করলে সে চলে তো যেতোই, তার ওপর পুরো ক্ষতিপূরণও নিত। আমি কথা দিলাম, সুপার কাপের পর যদি চলেও যাই পরের মরশুমের চুক্তির একটা টাকাও নেব না। খালিদ টাকার জন্য কাজ করে না। ইস্টবেঙ্গল আমার প্রাণ, আমার ভালবাসা। সোমবারের জন্য অপেক্ষা করছি। দেখি ক্লাব কী সিদ্ধান্ত নেয়। সেই বুঝে আমি আবার আপনাদের সঙ্গে কথা বলব। আর কথা দিলাম আরও অনেক ঘটনার কথা বলব। এতদিন আমি চুপ ছিলাম কিন্তু এবার অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেব।'

অর্থাৎ বোঝা গেল ভিতরে ভিতরে ফুঁসছেন খালিদ। আরও বড় ধামাকা দেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলেন।

No comments

Powered by Blogger.