Header Ads

এক্সক্লুসিভ: খালিদকে সরিয়ে তলে তলে ডগলাসকে কোচ করে আনার ঘুঁটি সাজাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল


ইনসাইড নিজস্ব: আই লিগের মাঝপথে হোক বা লিগের শেষে, ছলে-বলে-কৌশলে খালিদকে সরানোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছিলেন লাল-হলুদ কর্তারা। ভিতরে ভিতরে অনেক ছক কষা হয়েছে, অনেক আলোচনা হয়েছে। কিন্তু খালিদকে তাড়ানোর রাস্তা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে আবার ভিতরের গল্পটা বুঝতে পেরে মুখ খোলেন খালিদ। জানিয়ে দেন। তিনিও শেষ দেখে ছাড়বেন।

দু'বছরের চুক্তি। তাও আবার মোটা টাকার। জোর করে সরাতে হলে মোটা টাকার জরিমানা দিতে হবে ক্লাবকে। তাই 'না পারছি ফেলতে, না পারছি গিলতে' এই উক্তিকে মনে করিয়ে দিয়ে খালিদকে আপাতত রেখে দিতে বাধ্য হন কর্তারা।

কিন্তু ভিতরের খেলাটা জারি থাকল। কী করে তাড়ানো যায়, কী করে তাড়ানো যায়। তাই কোচ করা হল বটে তবে পুতুল-কোচ। মাথার ওপর বসিয়ে দেওয়া হল সুভাষ ভৌমিককে। যাঁকে ময়দান শ্রদ্ধা করে, যাঁকে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা শ্রদ্ধা করে। খালিদকে একমাত্র ময়দানের ভোম্বলদাই জব্দ করতে পারবেন। কর্তারা কি এটাই ভেবে নিয়ে এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন? খালিদকে পাশে বসিয়ে সুভাষ বললেন বটে কোচই সব। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো। তলায় তলায় নতুন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি হয়ে যাচ্ছে,  সুপার কাপ থেকে পরের মরশুমের দল ঠিক হয়ে যাচ্ছে, অথচ কোচের কাছে কোনও খবর নেই। আই লিগের মতো একটা লম্বা টুর্নামেন্টের আগে কোচের সঙ্গে আলোচনা না করেই চলছে ফুটবলারদের অমুক টেস্ট তমুক টেস্ট। প্রথম দু'দিন খালিদের অনুশীলনে না আসার কারণ সত্যিই কি পারিবারিক নাকি ক্লাবের এই কাণ্ডকারখানাগুলো?

এবার গল্পের আসল জায়গায় আসা যাক। শোনা যাচ্ছে, হ্যাঁ আপাতত শোনাই যাচ্ছে বলি। লাল-হলুদের প্রাক্তন ডগলাসকে নাকি কোচ করিয়ে আনার জন্য তলে তলে যোগাযোগ করছে ইস্টবেঙ্গল। আর এ ব্যাপারে নাকি কথা অনেকদূর এগিয়েছে। ডগলাসও নাকি ডাকের অপেক্ষায়। এখন পথের কাঁটা শুধুই খালিদ।

কি, আসল গল্পটা কি পরিষ্কার হচ্ছে? হিসেবগুলো কি মিলছে? সুভাষ ভৌমিক তো আছেনই, সঙ্গে তাঁর প্রিয় ছাত্র ডগলাস। অনুশীলনে এসে সুভাষ যে খালিদকে নিয়ে অনেক বিস্ফারণ ঘটালেন; বাঁ পকেটে আই লিগ, ডান পকেটে আন্তর্জাতিক ট্রফির গল্প শোনালেন বা খালিদ এসে অনুশীলন দেখবে'র মতো মন্তব্য করলেন; বা খালিদকে অনুশীলনে ঢুকতে দেওয়া হল না; এর পিছনে কি অন্য কোনও গল্প কাজ করছে? বিশেষ করে যখন চুপ করে আছেন কর্তারা? একজন কোচের বিরুদ্ধে এমন মন্তব্য দলের কাছে কী বার্তা দেয়? কোচের সঙ্গে যাবতীয় সমস্যার সমাধান করবেন তো কর্তারাই? তাহলে কি সুভাষকে এগিয়ে দিয়ে খালিদকে সরানোর মঞ্চ শক্তপোক্ত করার এটা একটা কৌশল? সুভাষ-ডগলাস জুটিকে দাঁড় করানোর রাস্তা মসৃণ করা?

প্রশ্ন অনেক। উত্তর জানার অপেক্ষা। উঠে আসুক আসল ছবিটা।

No comments

Powered by Blogger.